জাতীয় নির্বাচনের আগে দেশের সকল প্রকার অভ্যন্তরীণ নির্বাচন স্থগিতের নির্দেশনা থাকলেও, শেষ পর্যন্ত শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচনের অনুমতি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ২০ জানুয়ারি পূর্বনির্ধারিত তারিখেই এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এই সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে এসে পৌঁছায়। নির্বাচন পরিচালনা অধিশাখা-২ এর উপসচিব মনির হোসেন স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়, 'আচরণবিধি যথাযথভাবে প্রতিপালন সাপেক্ষে আগামী ২০ জানুয়ারি শাকসু নির্বাচন আয়োজনের অনুমতি প্রদান করা হলো।'
এর আগে, জাতীয় নির্বাচনের কারণে দেশের সকল সাংগঠনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক নির্বাচন স্থগিত করায় শাকসু নির্বাচনও ১২ ফেব্রুয়ারির আগে আয়োজন না করার প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল ইসি। দীর্ঘ ২৮ বছর পর নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া শাবিপ্রবি ক্যাম্পাস এই খবরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ক্ষোভে ফেটে পড়েন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে গত কয়েকদিন ধরে ক্যাম্পাসে দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলন করে শিক্ষার্থীরা। তাদের এই দাবির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন শিক্ষকদের একটি বড় অংশও। অনেক শিক্ষক এই স্থগিতাদেশকে ‘চক্রান্ত’ হিসেবে অভিহিত করে ইসির কঠোর সমালোচনা করেন।
স্থগিতাদেশ থাকা সত্ত্বেও শিক্ষার্থীরা তাদের নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যান। এমনকি গতকালও প্রার্থীরা তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন। শিক্ষার্থীদের এই অনড় অবস্থান এবং গণমাধ্যমে (সময় সংবাদসহ বিভিন্ন মাধ্যমে) বিষয়টি জোরালোভাবে উঠে আসায় টনক নড়ে কর্তৃপক্ষের।
অনুমতির খবর ক্যাম্পাসে পৌঁছালে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ভিপি পদপ্রার্থী শিশির আহমেদ তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, 'আমাদের বিশ্বাস ছিল পরিশ্রম বৃথা যাবে না। শঙ্কা সত্ত্বেও আমরা ইশতেহার ঘোষণা করেছি কারণ শাকসু শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবি। অবশেষে জটিলতা কাটলো, আমরা খুবই খুশি। নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানাই।'
শিক্ষক সংগঠন 'ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংক'-এর অধ্যাপক মামুন বলেন, 'শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম ও আবেগ আমরা দেখেছি। মন্ত্রণালয় এই সংক্রান্ত চিঠি আগে গোপন করায় এক ধরণের ভুল বোঝাবুঝি ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছিল। এখন নতুন প্রজ্ঞাপনে সবাই আনন্দিত। আমরা চাই একটি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন হোক।'
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ২০ জানুয়ারি নির্বাচন আয়োজনে এখন আর কোনো আইনি বাধা নেই এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রিটার্নিং অফিসার দ্রুততম সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করবেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এই সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে এসে পৌঁছায়। নির্বাচন পরিচালনা অধিশাখা-২ এর উপসচিব মনির হোসেন স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়, 'আচরণবিধি যথাযথভাবে প্রতিপালন সাপেক্ষে আগামী ২০ জানুয়ারি শাকসু নির্বাচন আয়োজনের অনুমতি প্রদান করা হলো।'
এর আগে, জাতীয় নির্বাচনের কারণে দেশের সকল সাংগঠনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক নির্বাচন স্থগিত করায় শাকসু নির্বাচনও ১২ ফেব্রুয়ারির আগে আয়োজন না করার প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল ইসি। দীর্ঘ ২৮ বছর পর নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া শাবিপ্রবি ক্যাম্পাস এই খবরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ক্ষোভে ফেটে পড়েন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে গত কয়েকদিন ধরে ক্যাম্পাসে দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলন করে শিক্ষার্থীরা। তাদের এই দাবির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন শিক্ষকদের একটি বড় অংশও। অনেক শিক্ষক এই স্থগিতাদেশকে ‘চক্রান্ত’ হিসেবে অভিহিত করে ইসির কঠোর সমালোচনা করেন।
স্থগিতাদেশ থাকা সত্ত্বেও শিক্ষার্থীরা তাদের নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যান। এমনকি গতকালও প্রার্থীরা তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন। শিক্ষার্থীদের এই অনড় অবস্থান এবং গণমাধ্যমে (সময় সংবাদসহ বিভিন্ন মাধ্যমে) বিষয়টি জোরালোভাবে উঠে আসায় টনক নড়ে কর্তৃপক্ষের।
অনুমতির খবর ক্যাম্পাসে পৌঁছালে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ভিপি পদপ্রার্থী শিশির আহমেদ তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, 'আমাদের বিশ্বাস ছিল পরিশ্রম বৃথা যাবে না। শঙ্কা সত্ত্বেও আমরা ইশতেহার ঘোষণা করেছি কারণ শাকসু শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবি। অবশেষে জটিলতা কাটলো, আমরা খুবই খুশি। নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানাই।'
শিক্ষক সংগঠন 'ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংক'-এর অধ্যাপক মামুন বলেন, 'শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম ও আবেগ আমরা দেখেছি। মন্ত্রণালয় এই সংক্রান্ত চিঠি আগে গোপন করায় এক ধরণের ভুল বোঝাবুঝি ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছিল। এখন নতুন প্রজ্ঞাপনে সবাই আনন্দিত। আমরা চাই একটি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন হোক।'
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ২০ জানুয়ারি নির্বাচন আয়োজনে এখন আর কোনো আইনি বাধা নেই এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রিটার্নিং অফিসার দ্রুততম সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করবেন।
শিক্ষা ডেস্ক